জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মোদীর অপরাধ তুলে ধরেছিলেন যে সাংবাদিক

Sep 28, 2017 12:40 pm
অনন্যসাধারণ এক সাহসী সাংবাদিক

 

গোলাপ মুনীর

‘গুজরাট ফাইলস’-এর সাহসী লেখিকা ও সাংবাদিক রানা আইয়্বুকে গত ১২ আগস্ট কানাডার সুরিতে সম্মাননা দিয়েছে কানাডার ভ্যাঙ্কুভার থেকে প্রকাশিত Radical Desi নামে একটি মাসিক গ্রাসরুট ম্যাগাজিন। উল্লেখ্য, এই লেখিকা তার জীবন বাজি রেখে সাহসী আন্ডারকভার ইনভেস্টিগেশনের মাধ্যমে বের করে এনেছেন এক কঠিন সত্য : গুজরাটের সংখ্যালঘু মুসলমানদের ধারাবাহিকভাবে খুনের জন্য ভারতের প্রশাসনিক ও পুলিশ কর্মকর্তারা দায়ী। তা ছাড়া এই মহিলা সাংবাদিক তার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তেহেলকা ম্যাগাজিনের স্ট্রিং অপারেশনেও (অপরাধী খুঁজে বের করার অভিযান) অংশ নেন।


তার ‘গুজরাট ফাইলস’ বইটি লেখা হয়েছে পুলিশ কর্মকর্তা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার ওপর তার পরিচালিত আন্ডারকভার ইনভেস্টিগেশনের ওপর ভিত্তি করে। ২০০২ সালে গুজরাটে হিন্দু উগ্রবাদীদের পরিচালিত মুসলিমবিরোধী দাঙ্গা ও পুলিশের হাতে মুসলমানদের নির্বিচার হত্যা ঘটনার পর রানা আইয়ুবকে গুজরাটে পাঠানো হয়। মুসলমানদের ওপর পরিচালিত সন্ত্রাসের পর হিন্দু তীর্থযাত্রী বহনকারী ট্রেনে আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহত হয় ৫০ জনের মতো যাত্রী। ট্রেনে আগুন দেয়ার এই ঘটনার জন্য ভারতীয় হিন্দুত্ব জাতীয়তাবাদী দল বিজেপির নেতৃত্বাধীন গুজরাট সরকার ট্রেনের এই অগ্নিকাণ্ডের অভিযোগ তুলে তথাকথিত মৌলবাদী মুসলমানদের ওপর।


গুজরাট দাঙ্গায় হাজার হাজার মুসলমানদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে বিজেপির উগ্রবাদী হিন্দুরা। কিন্তু মানবাধিকারকর্মীরা এবং এই দাঙ্গা থেকে বেঁচে যাওয়া মুসলমানেরা অভিযোগ করে আসছেন, গুজরাট দাঙ্গায় পরিচালিত ব্যাপক মুসলমান হত্যার পেছনে গুজরাটের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও আজকের ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গোপন হাত ছিল। দাঙ্গার পরও ভুয়া এনকাউন্টারের নামে গুজরাট পুলিশ দফায় দফায় আরো অনেক মুসলমানকে হত্যা করেছে। এসব নিহত মুসলমানকে কখনো কখনো অভিহিত করা হয় চরমপন্থী ‘জিহাদি’ নামে।
রানা আইয়ুব তার ইনভেস্টিগেশন পরিচালনার সময় নিজেকে পরিচয় দেন একজন হিন্দু মহিলা হিসেবে। তা ছাড়া তিনি এমনভাবে নিজেকে তুলে ধরেন যে, তার জোরালো পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে বিজেপির সাথে। তিনি ধীরে ধীরে প্রশাসন ও পুলিশের অনেকের সাথে গভীর বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে তোলেন।

এর পর তিনি তাদের সাথে কথা বলেন মুসলিমবিরোধী দাঙ্গা প্রসঙ্গে। সময়ে সময়ে এসব কথাবার্তার ছলে তিনি জানতে পারেন, কী গভীরভাবে বিজেপি সরকার ও নরেন্দ্র মোদি এসব অপরাধের সাথে জড়িত ছিলেন। একজন মুসলমান মহিলা হয়ে তিনি প্রশাসনের ও পুলিশের লোকদের কথাবার্তা গোপনে রেকর্ড করছিলেন। আসলে তার এ ধরনের সাহসী কাজ ছিল আগুন নিয়ে খেলা করারই নামান্তর। কারণ, তখন নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন গুজরাট সরকার ছিল চরমভাবে একটি মুসলিমবিদ্বেষী সরকার। তাই চরম এক বিরূপ পরিবেশে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রানা আইয়ুবকে তার সত্য উদঘাটনের এই অভিযান পরিচালনা করতে হয়েছিল। তার কাছে প্রথম চ্যালেঞ্জটি আসে তেহেলকা থেকে। তখন তিনি গোপন সাক্ষাৎকার নিতে যাচ্ছিলেন নরেন্দ্র মোদির, যিনি ২০১৪ সালে ক্ষমতায় বসেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। তার বড়কর্তা তাকে বললেন, তারা ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রীর সাথে কোনো সমস্যায় জড়াতে চান না।


পরবর্তী সময়ে তিনি তার লেখা বইটি প্রকাশ করার জন্য চেষ্টা চালান। কিন্তু তাতে তিনি ব্যর্থ হন। রাজনৈতিক চাপ আসার ভয়ে কোনো প্রকাশকই তার বই প্রকাশ করতে রাজি হননি। পরে তিনি সিদ্ধান্ত নেন, নিজেই বইটি প্রকাশ করবেন। তার বইটি প্রকাশ ও সরবরাহ করার খরচ জোগাতে তিনি ব্যাংক থেকে ব্যক্তিগত ঋণ নেন এবং ঋণের টাকায় বইটি প্রকাশ করেন। আজ পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশিত বইটির দেড় লাখ কপি বিক্রি করেছেন।


কিন্তু তার লড়াই এখানেই শেষ হয়নি। তিনি গণমাধ্যমে একটি পূর্ণকালীন চাকরি জোগাড় করতে সক্ষম হননি। কিন্তু তার সম্ভাব্য চাকরিদাতারা তাকে বলেছেন, তাকে চাকরি করতে হলে তিনি মোদির বিরুদ্ধে কিছু বলতে বা লিখতে পারবেন না। বিষয়টি এমনপর্যায়ে পৌঁছাল যে, ভারতীয় কর্মকর্তারা চেষ্টা চালায় দোহায় তার অনুষ্ঠান বাতিলের। অপর দিকে বেশ কয়েকটি ঘটনায় বিজেপি সমর্থকেরা তাকে নানা ধরনের হুমকি দেয়। রানা আইয়ুবের বিশ্বাস, গুজরাট পর্বের ইতিহাস আজকের দিনেও প্রাসঙ্গিক। কারণ এখন সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে মুসলমানদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস মোদি সরকারের এই আমলেও ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি মনে করেন, মেজোরিটারিয়ানিজম হচ্ছে এই সমস্যার মূল কারণ। পূর্ববর্তী কংগ্রেস সরকারও জনগণকে বিভাজিত করার চেষ্টা করেছে ধর্মের ভিত্তিতে। রানা আইয়ুব ১৯৮৪ সালের ঘটনা ও ২০০২ সালের ঘটনাকে এক কাতারে দাঁড় করাতে ভোলেননি। ১৯৮৪ সালে ইন্দিরা গান্ধীর হত্যাকাণ্ডের পর কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষবাদী দাঙ্গাবাজেরা হাজার হাজার শিখকে নির্বিচারে হত্যা করেছে। কারণ ইন্দিরা গান্ধী নিহত হয়েছিলেন তার নিজের শিখ দেরক্ষীর গুলিতে।


১৯৯৩ সালের সাম্প্রদায়িক হত্যাকাণ্ডের সময় রানা আইয়ুবের বয়স মাত্র ৯ বছর। তখনই তিনি প্রথমবারের মতো এ ধরনের ঘটনায় ব্যথিত হওয়ার অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। তখন তিনি মুম্বাইয়ে বসবাস করতেন। সে সময় হিন্দু উগ্রবাদীরা মুসলমানদের ওপর চড়ায় হয়। তার এখনো মনে আছে, তখন কী করে একটি শিখ পরিবার তাদের রক্ষা করতে এগিয়ে এসেছিল। এবং তাদেরকে মৃত্যু থেকে বাঁচিয়েছিল। হিন্দু মৌলবাদীরা যখন গুজরাটে মুসলমানদের হামলার শিকারে পরিণত করে, তখন পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে।


গুজরাটের ঘটনার সময় এ রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় থাকায় মানুষ গুজরাট রায়টের সম্পর্কে সত্যিটা জানতে পারেনি। গুজরাটে কী ঘটেছিল, সে সম্পর্কে সাধারণ মানুষ ছিল অন্ধকারে। তবে বিবেকবান মানুষ জানত, গুজরাটে যা ঘটেছে তা নিন্দনীয়। আর এ ঘটনার জন্য মোদি সরকার দায়ী। কিন্তু বিজেপি এ অভিযোগ অস্বীকার করে। তখন বিজেপি চেয়েছে জনগণকে গুজরাটের দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়নের কথা বলে দাঙ্গার কথা বুলিয়ে রাখতে। ঘটনার সত্যতা বের করায় বিচার বিভাগীয় কর্মকাণ্ডেও বিজেপি নানা ধরনের বাধা সৃষ্টি করে। এই প্রেক্ষাপটে রানা আইয়ুবের ‘গুজরাট ফাইলস : অ্যানাটমি অব কভারআপ’ বইটি খুবই প্রাসঙ্গিক।

বইটি লেখা হয়েছে সাহসী সাংবাদিক রানা আইয়ুবের ২০১০-১১ সময়ে গুজরাটে পরিচালিত স্ট্রিং অপারেশনের ওপর ভিত্তি করে। এ জন্য তাকে তার ধর্মীয় পরিচয় ও নামধাম গোপন করতে হয়। নিজেকে পরিচয় দিতে হয় মিথিলি তেয়াগি নামে এক হিন্দু ছাত্রী হিসেবে। তখন তার পরিচয় ছিল যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফিল্ম ইনিস্টিটিউটের ছাত্রী হিসেবে। তিনি এ-ও বলেন, তার বাবা একজন আরএসএস প্রচারক। তখন তিনি বলে বেড়াতের তিনি উত্তপ্ত গুজরাট নিয়ে একটি চলচ্চিত্র তৈরি করতে যাচ্ছেন।


এই গোপন পরিচয় নিয়ে তিনি যা করলেন, তা সত্যিই অবাক করা দুঃসাহসিক কাজ। তিনি সাক্ষাৎ করেন গুজরাটের অনেক অভিজাত জনদের সাথে, যারা গুজরাটের ২০০২ সালের মুসলিমবিরোধী দাঙ্গার সাথে জড়িত ছিলেন। এভাবে তিনি এ ঘটনার অনেক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেন। তিনি কোনো কোনো গোয়েন্দা কর্মকর্তা, উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা ও অ্যান্টি-টেরোরিস্ট স্কোয়াডের কর্মকর্তার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বইটিতে তার একটি তালিকা রয়েছে। তার উদঘাটিত তথ্যের মাধ্যমে জানা যায়, রাজনৈতিক অভিজাত নেতাদের খেয়ালখুশির বশবর্তী হয়ে গোয়েন্দা ও পুলিশ বিভাগের লোকেরা এই মুসলিম নিধনে অংশ নিয়েছে। তখন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক এলিটরা মুসলিমবিরোধী মনোভাব প্রদর্শন করেন। আরএসএস/ভিএইচপির লোকেরা একই কাজ করে।


একইভাবে সাক্ষাৎকারগুলোর মাধ্যমে দেখা যায়, পুলিশ কর্মকর্তারা স্বীকার করেন ইশরাত জাহানের ও অন্যান্য ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট এনকাউন্টার ছিল সাজানো। এদের কোনো সংযোগ ছিল না সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সাথে। বর্তমান বিজেপি প্রেসিডেন্ট ও গুজরাটের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন মুসলিমদের হত্যা করার জন্য। এই বইটিতে দেখানো হয়, এর বিরুদ্ধে যে প্রতিবাদ উঠেছিল, তার দমন করা হয়। পুলিশ সদস্যদের কেউ কেউ ভেতরে ভেতরে এর বিরুদ্ধে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন। এদের কাউকে পানিশমেন্ট পোস্টে হয় বদলি করা হয়েছে, নয়তো এদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। বইটিতে আরো জানানো হয়, কী করে দলিত প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি বৈষম্য করা হয়। কী করে এখনো এরা নিজেদের গ্রামে ও ডিপার্টমেন্টে বৈষম্যের শিকার হয়, এর বর্ণনাও আছে এই বইয়ে। গুজরাটের ঘটনার ভেতর-বাইর জানার জন্য রানা আইয়ুবের বইটি পড়া অপরিহার্য।


পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, রেডিক্যাল দেশী নামে সাময়িকী ও ‘ইন্ডিয়ানস আব্রোড ফর প্লুরালিস্ট ইন্ডিয়া’ আয়োজিত সম্মাননা অনুষ্ঠানে তিনি বক্তব্য রাখেন। সুরির সেন্ট্রাল লাইব্রেরির আম্বেদকার কক্ষে তাকে দেয়া হয় ‘কারেজিয়াস জার্নালিজম অ্যাওয়ার্ড’। অনুষ্ঠানে ‘গুজরাট ফাইলস’ বইটির ইংরেজি ও পাঞ্জাবি সংস্করণটি লেখিকার স্বাক্ষরসহ কিনতে পাওয়া যায়।


সম্মাননা অনুষ্ঠানে সমবেতদের উদ্দেশে রানা আইয়ুব বর্ণনা করেন, কী করে তিনি একজন গোঁড়া বিজেপি সমর্থক হিন্দু মহিলা পরিচয় নিয়ে বন্ধুত্ব গড়ে তুলেছিলেন পুলিশবাহিনী ও প্রশাসনের লোকদের সাথে। এরপর তিনি বর্ণনা দেন মুসলমানদের বিরুদ্ধে পরিচালিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের এবং কতটা গভীরভাবে বিজেপি সরকার ও নরেন্দ্র মোদি এর সাথে জড়িত ছিলেন। একজন মুসলমান মহিলা হয়ে এমনটি করতে গিয়ে বিভিন্ন জনের গোপন সাক্ষাৎকার নেয়া ও নানাজনের সাথে কথা বলার কাজটি আসলে তার জন্য ছিল আগুন নিয়ে খেলা করার শামিল। কারণ গুজরাটে তখন বিরাজ করছিল মুসলমানদের জন্য পুরোপুরি একটি বিপজ্জনক বিরূপ পরিবেশ। তার বক্তব্যে এসেছে ভারতীয় সংবিধানের প্রণেতা ড. আম্বেদকারের অবদানের ওপর বিজেপির আঘাত হানার কথা, দলিতদের কথা, অস্পৃশ্যদের কথা ও হিন্দুত্ব বাহিনীর নানা অপকর্মের কথা, যার বর্ণনা রয়েছে তার উল্লিখিত বইটিতে। তিনি তার বক্তব্যে প্রবাসী ভারতীয়দের প্রতি আহ্বান জানান, নীরবতা ভেঙে সংখ্যালঘু দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের লড়াই করতে। তিনি যখন তার জীবনের গল্প বলে যাচ্ছিলেন, তখন সেখানে পিন-পতন নীরবতা বিরাজ করছিল। তার বক্তব্যের পর ছিল প্রশ্নোত্তর পর্ব।


সুরে সেন্ট্রাল লাইব্রেরির আম্বেদকার কক্ষে রানা আইয়ুবকে এই অ্যাওয়ার্ড দেয়ার সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী ও সক্রিয়বাদী মানবাধিকারকর্মী আমানদীপ সিং। উল্লেখ্য, সম্প্রতি রেডিক্যাল দেশী তাকেও সম্মাননা দেয় দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের পঙ্গু অধ্যাপক জি এন সাইবার মুক্তি চেয়ে দেয়া পিটিশন রচনার জন্য, যিনি নানা ধরনের হয়রানির শিকার সংখ্যালঘুদের ও নিপীড়িত লোকদের পক্ষ নেয়ার কারণে। উপস্থিত ছিলেন সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অব সেকুলারিজম অ্যান্ড ডেমোক্র্যাসির সুপরিচিত সক্রিয়বাদী চিন্ময় ব্যানার্জি, সাবেক বিসি হিউম্যান রাইটস কমিশনার হরিন্দর মাহিল, ইন্ডিয়ানস অ্যাব্রোড ফর প্লুরালিস্ট ইন্ডিয়ার ও প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা অজয় বরদোয়াজ, শিখ ন্যাশনের স্বেচ্ছাসেবক সুনীল কুমার, গবেষক পণ্ডিত ও সক্রিয়বাদী কমল অরোরা, প্রগ্রেসিভ পাকিস্তানির সক্রিয়বাদী শাহজাদ নজির খান, সাইফ খালিদ, মাসুদ পাঞ্জাবি ও ফৌজিয়া রফিকসহ উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক মোহন সিং মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের নেতা সাহেব থিন্ড এবং রেডিক্যাল দেশীর প্রতিষ্ঠাতা পুরুষোত্তম দোনাঞ্জ।