তিলধারী মানুষ কী দেরিতে বুড়ো হয়

Oct 10, 2017 02:19 pm
চামড়া কুঁচকায় তুলনামূলক দেরিতে

 

যেসব মানুষের শরীরে তিল বেশি থাকে, অর্থাৎ ১০০টিরও বেশি তিল থাকে তাদের চামড়া কুঁচকায় তুলনামূলক দেরিতে। তা ছাড়া তিলওয়ালা মানুষের শরীরের হাড়ও শক্ত থাকে। লন্ডনের কিংস কলেজের একদল গবেষক এ তথ্য জানিয়েছেন। তাদের হালনাগাদ গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব মানুষের শরীরে ১০০টিরও বেশি তিল আছে তাদের শরীরে কম তিলওয়ালা মানুষের তুলনায় কম অস্টিওপরোসিস দেখা দেয়।

কেনো? দেখা গেছে, বেশি তিলওয়ালা মানুষের শরীরে থাকে দীর্ঘতর telomeres, যা সব জীবকাষের বা উদ্ভিদকোষের সূক্ষ্ম তন্তুবিশেষ বস্তু ক্রোমোজোমের শেষ ভাগে আঁটি বাঁধা ডিএনএ আকারে পাওয়া যায়। আর আমরা যে হারে বুড়ো হই তার ভালো জৈবিক সূচক হচ্ছে এই টেলোমিয়ারস। এই গবেষক দলের নেতা ড. ভেরোনিক ব্যাটেইলি বলেন, তিলওয়ালা মানুষের মেলানোমা হওয়ার সম্ভাবনা তুলনামূলক একটু বেশি। তবে তাদের বুড়িয়ে যাওয়ার কাজটি চলে একটু ধীরগতিতে।


ওষুধের ডোজ যেনো সঠিক হয়

রান্নাঘরে আমরা সাধারণত বড় চামচ ব্যবহার করি। আমাদের অনেকের অভ্যাস ওষুধ নিজে খাওয়া বা অন্যকে খাওয়ানোর সময় রান্ন্ঘরের ওই বড় চামচটি ব্যবহার করার। কারণ সহজেই এ চামচ হাতের কাছে পাওয়া যায়। কিন্তু এ অভ্যাস যে ভালো নয়, বরং বিপজ্জনক তা আমরা মোটেও ভেবে দেখি না। বিশেষ করে শিশুদের বেলায় তা সবচেয়ে বেশি বিপজ্জনক। কারণ বড় চামচ ব্যবহার করলে অনেক সময় ওষুধের ডোজ প্রয়োজনের তুলনায় বেশি হয়ে যেতে পারে।


সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, যখন কেউ ওষুধ খাওয়া বা খাওয়ানোর সময় মাঝারি আকারের রান্ন্ার চামচ ব্যবহার করেন, তখন তিনি পরিমাণের চেয়ে ৮ শতাংশ ওষুধ কম সেবন করেন, যদিও তিনি দেখছেন যে সঠিক পরিমাণে ওষুধই সেবন করছেন। আর যখন তিনি তার চেয়েও বড় চামচ ব্যবহার করেন, তখন পরিমাণের চেয়ে ১২ শতাংশ ওষুধ বেশি সেবন করেন। এর প্রভাব মারাত্মক হয়ে দেখা দিতে পারে যদি আপনি দিনে দুই থেকে তিনবার ওষুধ সেবন করেন।

শিশুদের বেলায় দিনে একবার ওষুধ সেবনেই সে ধরনের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। এ তথ্য সম্প্রতি আমাদের জানিয়েছেন এ সমীক্ষার সহপ্রণেতা কোয়ের্ট ভ্যান ইটারসাম। তার তাগিদ হচ্ছে, ওষুধ সেবনের সময় ওষুধ সেবনের ডোজিং কাপ, ডোজিং সিরিঞ্জ কিংবা ড্রপার ব্যবহার করে সব সময় সঠিক পরিমাণে ওষুধ সেবন নিশ্চিত করুন।


শিশুর যখন এডিএইচডি সমস্যা

হতে পারে একজন শিশু খুবই জেদি। তাকে কিছুতেই বাগ মানানো যায় ন। এর কারণ হয় তার মধ্যে অপরিপক্বতা রয়েছে, নয়তো সে ভুগছে এডিইএইচডি-তে। পুরো কথায় এডিএইচডি হচ্ছে ‘অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইফার‌্যাকটিভিটি ডিজঅর্ডার’। এর ফলে স্কুলে শিশুরা পাঠে মনোযোগ হারিয়ে ফেলে। অবশ্য জেদি মনোভাব অন্য কারণেও হতে পারে।


এডিএইচডি সম্পর্কিত সাম্প্রতিক এক সমীক্ষা ছাপা হয়েছে জার্নাল অব দ্য হেলথ ইকোনমিকস-এ। এ সমীক্ষা মতে, এই জেদি মনোভাব সারানোর বিষয়টি যতটা না ওষুধসংশ্লিষ্ট, তার চেয়েও বেশি বয়সসংশ্লিষ্ট। এ সমীক্ষক দল দেখিয়েছে কম বয়সী শিশুদের সিকি ভাগের মধ্যেই এই এডিএইচডি বিদ্যমান। এ সমীক্ষা রিপোর্ট প্রণেতা মিশিগান স্টেট ইউসিভার্সিটির টড এল্ডার বলেছেন, ‘একজন শিশু কারণেও জেদ দেখাতে পারে। তবে বয়স বেড়ে ওঠার সাথে সাথে তার এ জেদি মনোভাব সেরে ওঠে।

এদের ওষুধ দিয়ে সারিয়ে তোলার চেয়ে এদের সাথে সতর্ক আচরণ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এদের ব্যাপারে শিক্ষক ও অভিবাবকদের সতর্ক আচরণ দরকার।

আরশাদ মাহমুদ